অনলাইন ডেস্ক
২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

এনইআইআর চালুর পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানালেন উদ্বেগজনক তথ্য

ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের পহেলা তারিখ থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর পর ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ। বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে। লাখ লাখ নাগরিক এসব নিম্নমানের নকল মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এসব মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন টেস্ট, অ্যাবসোর্পশন টেস্টসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা টেস্ট হয়নি কখনও।
তিনি লেখেন, ৪টি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে ব্যাপকভাবে সচল এসব মোবাইল ফোন ছড়িয়ে রয়েছে। তবে জনজীবনে অসুবিধা তৈরি হয় এমন কোনো পদক্ষেপে সরকার যাবে না বলেও জানান তিনি। বলেন, এসব ফোন বন্ধ করা হবে না, গ্রে হিসেবে ট্যাগ করা হবে।
এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘বিগত ১০ বছরের সর্বমোট সংখ্যা হিসাবে, শুধুমাত্র একটি আইএমইআই নাম্বার 99999999999999 এ পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি। বিভিন্ন কম্বিনেশন (Document ID+MSISDN+IMEI)। স্মার্টফোনের পাশাপাশি এ ধরনের IMEI বিভিন্ন IOT ডিভাইসেরও হতে পারে। যদিও অপারেটর মোবাইল ডিভাইস, সিম সংযুক্ত ডিভাইস এবং IOT ডিভাইসের IMEI আলাদা করতে পারে না। যেমন হতে পারে, CCTV বা এ ধরনের ডিভাইস হয়ত একই IMEI নম্বরে আনা হয়েছে। আমরা বৈধভাবে আমদানি করা IOT আমরা আলাদাভাবে ট্যাগের কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শীর্ষ কিছু আইএমইআই নম্বরের একটা তালিকা তৈরি করে দেখা গেছে, সাড়ে ১৯ লাখ ডিভাইসের আইএমইআই নাম্বার হচ্ছে 440015202000; যেগুলো ডুপ্লিকেট হিসাবে আনা হয়েছে। এভাবে- 35227301738634 নাম্বারে সাড়ে সতেরো লাখ 35275101952326 নাম্বারে। সোয়া পনেরো লাখ শুধুমাত্র ১ ডিজিটের শূন্য IMEI নাম্বারে আছে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩১টি।’
তিনি আরও লেখেন, আমরা অনুমান করেছি যে ক্লোন ও নকল ফোনের ছড়াছড়ি আছে, তবে বুঝতে পারিনি ভয়াবহতা এতটা গভীর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন মতে, ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি ঘটে অনিবন্ধিত ডিভাইসে। বিটিআরসি ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে e-KYC জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অবৈধ ফোন, কিংবা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। ২০২৩ সালে ১,৮ লাখ ফোন চুরির রিপোর্ট হয় (রিপোর্ট হয়নি এমন সংখ্যা আছে আরও কয়েক লাখ), এসব ফোনের অধিকাংশই উদ্ধার করা যায়নি।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শরীয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নীলফামারীতে জামাতার প্রাইভেটকারের ধাক্কায় শ্বশুরের মৃত্যু

এনইআইআর চালুর পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানালেন উদ্বেগজনক তথ্য

আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার, ছয় মাসের কারাদণ্ড

ইনসাফ আন্দোলনের মার্চ ঘোষণা

বিভক্ত জাতি কখনো আত্মসম্মানসহ এগোতে পারে না: শফিকুর

গুরুতর অসুস্থ ড. কামাল হোসেন, হাসপাতালে ভর্তি

মাদারীপুরে জেলা মডেল মসজিদের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে আলোচিত ব্যবসায়ী হত্যার মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার

বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ক্ষতি: ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে

১০

স্ট্রোকে আক্রান্ত শিল্পী তৌসিফ, মাথায় ২৭টি সেলাই

১১

রংপুর ৩ সদর, রংপুর ৪ পীরগাছা-কাউনিয়া ১৪ প্রার্থী বৈধ

১২

নরসিংদীতে পুটিয়া বাজারে ১২৫৬ টাকার রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস এর মূল্য টাকা বৃদ্ধি

১৩

কাউনিয়ায় অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে চার দিন

১৪

গোপালগঞ্জ–২ আসনে অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আলোচনায়

১৫

রাজশাহীতে এস কিউ ওয়্যার এন্ড ক্যাবল কোম্পানী’র ব্যবসায়িক সম্মেলন

১৬

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নেতাকর্মীদের ভিড়

১৭

পুতিনকে হত্যার চেষ্টার ঘটনা, আগেই সতর্ক করেছিলেন রাষ্ট্রপ্রধান

১৮

নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় বিতর্কে এনসিপির ব্যাখ্যা

১৯

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানালেন, কত দিন পর অবৈধ মোবাইল বন্ধ হবে

২০