অনলাইন ডেস্ক
২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ২৪১ জন

এনইআইআর চালুর পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানালেন উদ্বেগজনক তথ্য

ছবি : সংগৃহীত
৩৪৩

চলতি বছরের পহেলা তারিখ থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর পর ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ। বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে। লাখ লাখ নাগরিক এসব নিম্নমানের নকল মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এসব মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন টেস্ট, অ্যাবসোর্পশন টেস্টসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা টেস্ট হয়নি কখনও।
তিনি লেখেন, ৪টি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে ব্যাপকভাবে সচল এসব মোবাইল ফোন ছড়িয়ে রয়েছে। তবে জনজীবনে অসুবিধা তৈরি হয় এমন কোনো পদক্ষেপে সরকার যাবে না বলেও জানান তিনি। বলেন, এসব ফোন বন্ধ করা হবে না, গ্রে হিসেবে ট্যাগ করা হবে।
এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘বিগত ১০ বছরের সর্বমোট সংখ্যা হিসাবে, শুধুমাত্র একটি আইএমইআই নাম্বার 99999999999999 এ পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি। বিভিন্ন কম্বিনেশন (Document ID+MSISDN+IMEI)। স্মার্টফোনের পাশাপাশি এ ধরনের IMEI বিভিন্ন IOT ডিভাইসেরও হতে পারে। যদিও অপারেটর মোবাইল ডিভাইস, সিম সংযুক্ত ডিভাইস এবং IOT ডিভাইসের IMEI আলাদা করতে পারে না। যেমন হতে পারে, CCTV বা এ ধরনের ডিভাইস হয়ত একই IMEI নম্বরে আনা হয়েছে। আমরা বৈধভাবে আমদানি করা IOT আমরা আলাদাভাবে ট্যাগের কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শীর্ষ কিছু আইএমইআই নম্বরের একটা তালিকা তৈরি করে দেখা গেছে, সাড়ে ১৯ লাখ ডিভাইসের আইএমইআই নাম্বার হচ্ছে 440015202000; যেগুলো ডুপ্লিকেট হিসাবে আনা হয়েছে। এভাবে- 35227301738634 নাম্বারে সাড়ে সতেরো লাখ 35275101952326 নাম্বারে। সোয়া পনেরো লাখ শুধুমাত্র ১ ডিজিটের শূন্য IMEI নাম্বারে আছে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩১টি।’
তিনি আরও লেখেন, আমরা অনুমান করেছি যে ক্লোন ও নকল ফোনের ছড়াছড়ি আছে, তবে বুঝতে পারিনি ভয়াবহতা এতটা গভীর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন মতে, ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি ঘটে অনিবন্ধিত ডিভাইসে। বিটিআরসি ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে e-KYC জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অবৈধ ফোন, কিংবা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। ২০২৩ সালে ১,৮ লাখ ফোন চুরির রিপোর্ট হয় (রিপোর্ট হয়নি এমন সংখ্যা আছে আরও কয়েক লাখ), এসব ফোনের অধিকাংশই উদ্ধার করা যায়নি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১২, বিপুল মাদক উদ্ধার

করাচিতে স্বাধীনতা দিবসের গুলিবর্ষণে নিহত ১, আহত ৯৪

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত

১০ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

বহু বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে যোগ্য ব্যক্তি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে লাওস, এফওসিতে আলোচনা

নরসিংদীতে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্যসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৩৮

শাহবাগে পরীক্ষামূলকভাবে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করল ডিএসসিসি

মাদারীপুরের রাজৈরে এসএসসিতে ফেল করে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা কমানোর উদ্যোগ সরকারের

১০

টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, কারা পাবেন আর কারা থাকছেন বাইরে

১১

ছয় অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

১২

রাজনীতির দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বঙ্গভবনের দৌড়ে মির্জা ফখরুল

১৩

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা

১৪

র‌্যাগিংয়ে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী অসুস্থ, তদন্ত কমিটি গঠন

১৫

গ্যাসের মজুত ২০৩১ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার আশঙ্কা: সিপিডি

১৬

আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী

১৭

৪৮ বছর পর শক্তি ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন, ফের সক্রিয় নাসার ভয়েজার-২

১৮

‘ওসির হাতে জুতা’ ভিন্নভাবে উপস্থাপন, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবাদ

১৯

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

২০