অনলাইন ডেস্ক
২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ১৪৭ জন

এনইআইআর চালুর পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানালেন উদ্বেগজনক তথ্য

ছবি : সংগৃহীত
২১৩

চলতি বছরের পহেলা তারিখ থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর পর ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ। বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে। লাখ লাখ নাগরিক এসব নিম্নমানের নকল মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এসব মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন টেস্ট, অ্যাবসোর্পশন টেস্টসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা টেস্ট হয়নি কখনও।
তিনি লেখেন, ৪টি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে ব্যাপকভাবে সচল এসব মোবাইল ফোন ছড়িয়ে রয়েছে। তবে জনজীবনে অসুবিধা তৈরি হয় এমন কোনো পদক্ষেপে সরকার যাবে না বলেও জানান তিনি। বলেন, এসব ফোন বন্ধ করা হবে না, গ্রে হিসেবে ট্যাগ করা হবে।
এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘বিগত ১০ বছরের সর্বমোট সংখ্যা হিসাবে, শুধুমাত্র একটি আইএমইআই নাম্বার 99999999999999 এ পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি। বিভিন্ন কম্বিনেশন (Document ID+MSISDN+IMEI)। স্মার্টফোনের পাশাপাশি এ ধরনের IMEI বিভিন্ন IOT ডিভাইসেরও হতে পারে। যদিও অপারেটর মোবাইল ডিভাইস, সিম সংযুক্ত ডিভাইস এবং IOT ডিভাইসের IMEI আলাদা করতে পারে না। যেমন হতে পারে, CCTV বা এ ধরনের ডিভাইস হয়ত একই IMEI নম্বরে আনা হয়েছে। আমরা বৈধভাবে আমদানি করা IOT আমরা আলাদাভাবে ট্যাগের কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শীর্ষ কিছু আইএমইআই নম্বরের একটা তালিকা তৈরি করে দেখা গেছে, সাড়ে ১৯ লাখ ডিভাইসের আইএমইআই নাম্বার হচ্ছে 440015202000; যেগুলো ডুপ্লিকেট হিসাবে আনা হয়েছে। এভাবে- 35227301738634 নাম্বারে সাড়ে সতেরো লাখ 35275101952326 নাম্বারে। সোয়া পনেরো লাখ শুধুমাত্র ১ ডিজিটের শূন্য IMEI নাম্বারে আছে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩১টি।’
তিনি আরও লেখেন, আমরা অনুমান করেছি যে ক্লোন ও নকল ফোনের ছড়াছড়ি আছে, তবে বুঝতে পারিনি ভয়াবহতা এতটা গভীর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন মতে, ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি ঘটে অনিবন্ধিত ডিভাইসে। বিটিআরসি ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে e-KYC জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অবৈধ ফোন, কিংবা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। ২০২৩ সালে ১,৮ লাখ ফোন চুরির রিপোর্ট হয় (রিপোর্ট হয়নি এমন সংখ্যা আছে আরও কয়েক লাখ), এসব ফোনের অধিকাংশই উদ্ধার করা যায়নি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে ফরিদপুরে মতবিনিময় সভা

মাদারীপুরে এক রাতে ৬ স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি, কোটি টাকার অলংকার লুট

নড়াইলের কালিয়ায় ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই: হাজারো দর্শকের ভিড়

নাটোরের সিংড়ায় পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু: শোকের ছায়া এলাকায়

জলাতঙ্কে আক্রান্ত কুকুর কি পানিতে নামতে পারে? বাগেরহাট ঘটনার পর নতুন প্রশ্ন

রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

টেকেরহাটে ব্যবসায়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় নববর্ষ উদযাপন ইউসিবি ব্যাংকের

স্বপ্নভাঙা জীবন: ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছে মেধাবী শিক্ষার্থী, শেষ সম্বল হারিয়ে অসহায় পরিবার

সিংড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

১০

যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি মানতে হবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১১

শাহবাগে উত্তেজনা: ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

১২

বিশ্বকাপের আগেই আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের নতুন রেকর্ড

১৩

থাইল্যান্ডে রিসোর্টে অভিযান: ২১ বাংলাদেশিসহ ২২ অবৈধ অভিবাসী আটক

১৪

বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ: ৬৪ জেলায় ২,৭০৩ পদ, কোন জেলায় কতজন

১৫

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন

১৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার

১৭

বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু উৎসবে রাঙ্গামাটি হয়ে উঠেছে রঙিন উৎসবময়

১৮

নীলফামারীতে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষণের শিকার, ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল

১৯

কুড়িগ্রামে উদ্ধার হলো ভাইরাল ‘তাজু ২.০’ ফেসবুক পেজ

২০