অনলাইন ডেস্ক
৬ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ২২১ জন

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি: সংগৃহীত
২৭৬

সরকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও মানবিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে শহর ও গ্রামে মানসম্পন্ন চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ তথ্য জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকারকে সামনে রেখে ৭ এপ্রিল ২০২৬, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো: ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’।

তিনি আরও বলেন, মানুষ, পশু-পাখি ও পরিবেশের সুস্থতা পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই তিনটির নিরাপত্তা এবং সুস্থতা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে ‘One Health’ বা ‘এক স্বাস্থ্য’ ধারণা অনুসরণ করে সকল প্রাণের সুস্থতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এর জন্য চিকিৎসা, কৃষি, প্রাণি ও পরিবেশ বিজ্ঞানকে সমন্বিত করে গবেষণা ও টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দেশের প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত, বৈষম্যহীন ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিং (এমএল)-এর মতো উদ্ভাবনী প্রযুক্তি দ্রুত রোগ নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসা প্রদানে সহায়ক হবে।”

তিনি যোগ করেন, “বাংলাদেশের সরকার বিশ্বাস করে, ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’। আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য সহজ ও সুলভ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, কারণ স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার।”

সরকার ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, যার ৮০% নারী হবে। এছাড়া ই-হেলথ কার্ড, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্যবিমা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন এবং সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতার জন্য ন্যায়সঙ্গত আইন প্রণয়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করা হবে। স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫% বরাদ্দ দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী সমাপ্তিতে বলেন, “সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলে আমরা সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে সক্ষম হব।” তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করেছেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচার, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান বিএনপির

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করায় সমমনা জোটের অভিনন্দন

বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১২, বিপুল মাদক উদ্ধার

করাচিতে স্বাধীনতা দিবসের গুলিবর্ষণে নিহত ১, আহত ৯৪

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত

১০ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

বহু বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে যোগ্য ব্যক্তি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে লাওস, এফওসিতে আলোচনা

নরসিংদীতে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্যসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৩৮

১০

শাহবাগে পরীক্ষামূলকভাবে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করল ডিএসসিসি

১১

মাদারীপুরের রাজৈরে এসএসসিতে ফেল করে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

১২

সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা কমানোর উদ্যোগ সরকারের

১৩

টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, কারা পাবেন আর কারা থাকছেন বাইরে

১৪

ছয় অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

১৫

রাজনীতির দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বঙ্গভবনের দৌড়ে মির্জা ফখরুল

১৬

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা

১৭

র‌্যাগিংয়ে পবিপ্রবি শিক্ষার্থী অসুস্থ, তদন্ত কমিটি গঠন

১৮

গ্যাসের মজুত ২০৩১ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার আশঙ্কা: সিপিডি

১৯

আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী

২০