ভারতে যারা বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে সকলে রক্ত দিয়ে এই দেশকে মুক্ত করেছি। ফ্রেব্রুয়ারীতে নির্বাচন না হলে বিএনপির খুব লাভ আছে এমনটি মনে হচ্ছে ,অন্যদিকে নির্বাচন না হলে আবারও ফ্যাসিবাদীদের সুযোগ আসতে পারে।
শুক্রবার(৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালকদের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন- জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।
তিনি আরো বলেন- বিএনপি সংস্কার না চাইলে পূর্বে সংস্কারের পক্ষে যে সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল সে সময় রাজি হয়ে বর্তমানে সংস্কারের যে তালবাহানা চালাচ্ছে তাতে দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীলের দিকে যাচ্ছে। এরা না মানছে সংস্কার, না মানছে আরপিও। গণভোট হচ্ছে সংস্কারের জন্য, অনঢদিকে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে সংস্কার গঠনের জন্য।
এ দুইটি পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন, বিএনপি তালের রস-আমের রস এক সাথে করে নিতে চাচ্ছে। প্রত্যেকটি স্থানেই বিএনপি ঝামেলা সৃষ্টি করছে। দেশের মানুষ আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে দেশকে ফিরে যেতে দিবে না। সরকারের নিকট ডা. তাহের আহ্বান জানান, জুলাই সনদকে হুবহু আইনীন ভিত্তি দিয়ে গণভোটের যে প্রস্তাব সেটারও আলাদা ভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। কেউ কেউ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট করার সময় নেই বলে আওয়াজ তুলছে, এমন অপকৌশলকারীদের বিরুদ্ধে সড়কে আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ তা প্রতিহত করবে।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কঠোরভাবে সরকারের নিকট আহ্বান করছি যে,সরকার থেকে এমন নির্বাচন দেখতে চাই, যেটা বিএনপি সরকারে রূপান্তরিত না হয়, দ্রুত সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে, জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট চাই, ফেব্রুয়ারীর মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন চাই এবং তা ব্যার্থ হয়ে দেশের অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হলে ষড়যন্ত্রকারী দল-সরকারকে এর দায় নিতে হবে।
নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালকদের সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভূইয়া,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা অঞ্চল পরিচালক আব্দুস সাত্তার, মহানগরীর সেক্রেটারী মাওলানা মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এড.মুহাম্মদ শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমীর মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমীর বীরমুক্তিযোদ্ধা মো.আক্তারুজ্জামান, সাবেক আমীর ভিপি শাহাবউদ্দিন, মহানগরীর অফিস সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, চৌদ্দগ্রাম পৌর আমীর মাওলানা ইব্রাহীম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক সেক্রেটারী শাহ মো. মিজানুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক শিবির সভাপতি মেশকাত উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।