1. alokitojanapadbd@gmail.com : Alokito Janapad : Alokito Janapad
  2. 7infotechtkr@gmail.com : SEVEN INFO TECH : SEVEN INFO TECH
  3. fmamanullah51@gmail.com : sub-editor :
আপনার সন্তানের জীবন ধংস করেছেন আপনি: আবেদ আহমেদ - Alokito Janapad
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের ভ্রম্যমান আদালতের অভিযানে ৬ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড প্রদান লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক গৃহবধূর মৃত্যু মাদারীপুরে মৎস্য চাষ বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জে তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশনের নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন মাদ্রাসা সুপার এবং সভাপতি মিলে লুটেপুঁটে খাচ্ছেন মাগুরার বেরইল শামছুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি-জমা নিয়ে সংঘর্ষ আহত- ০৬ নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক শিশু নিহত নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় এক কনস্টেবলের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত ১১ বিচারপতির শ্রদ্ধা মাদারীপুর শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন

আপনার সন্তানের জীবন ধংস করেছেন আপনি: আবেদ আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৭২ Time View

খেলার জন্য আপনার আদরের সোনা মনির হাতে স্মার্ট ফোনটি তোলে দিচ্ছেন না তো?
যদি একবার দিয়ে অভ্যাস করে ফেলেন তা হলে জেনে রাখুন নিজ হাতে আপনার সন্তানের জীবন ধংস করেছেন আপনি।

আর সাময়িক আনন্দের জন্য এই ভয়াবহ কাজটি বেশি ভাগ করে থাকেন মায়েরা। আর ছেলের বিপদ ডেকে পরে সামলাতে না পেরে কান্না ও করেন বেশি সেই মায়েরা।

আমার ছেলে মিরাজ পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। মোবাইল ছাড়া এক বেলাও ভাত খেতে পারে না। মেয়ে মালিহা নার্সারিতে পড়ে। তার ও একই অবস্থা। আরেক ছেলে মাহাথির ২ বছরের কাছাকাছি বয়স। সেও গজল না শুনলে কোনো খাওয়াই মুখে তোলে না।

আমি শুধু আমার ঘরেরটা দেখি বলে বললাম।এমন ঘটনা এখন ঘরে ঘরে চলছে।
তার পর ধরুন ১০ থেকে ১২/১৩ বছরের ছেলে মেয়েরা প্রচণ্ডভাবে মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন গেইম আর ইউটিউবে ওল্টা পাল্টা ভিডিও দেখে দেখে লেখাপড়া বাদ দিয়ে সারা দিন মোবাইল নিয়েই পড়ে থাকে।

সমাজের কোমলমতি ছেলেমেয়েদের এমন ধংসের জন্য দায়ী কিছু মা-বাবা। তারা অল্প বয়সে ছেলে মেয়েদের হাতে মোবাইল তুলে দিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন নিজে।

আমাদের মা-বাবাদের এখন থেকে সাবধান হতে না পারলে সামনের দিনগুলো আরো কঠিন হয়ে দেখা দেবে। আপনার সন্তানের বয়স ১৫/১৬ বছর হয়ে গেলে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।

আমার মামার এক ছেলে এক মেয়ে। সারা জীবন সৌদি আরবে কাটিয়েছেন ছেলেমেয়েদের ভালো রাখার জন্য। এক ছেলে হওয়ায় ভালো পড়াশোনা করার জন্য গ্রাম থেকে ঢাকা চলে আসেন। মতিঝিল একটি ভালো স্কুল থেকে এসএসসিতে ভালো রেজাল্ট ও করে।সমস্যা শুরু হয় কলেজ ভর্তির পর।সারা দিন মোবাইল আর মোবাইল। মোবাইল ছাড়া কিছুই বোঝে না।মামা আমাকে অনেকবার ফোন করেছেন সৌদি আরব থেকে তার ছেলেকে বোঝানোর জন্য। আমি মোবাইলে কল দিলে কখনো সে ধরে না। তাই আমি আর গুরুত্ব দেইনি। মামার আবারও আকুতি আমি যেন বাসায় গিয়ে বুঝিয়ে আসি।অফিসের ব্যস্ততা ও বাসা দূরে হওয়ায় আমার আর যাওয়া হলো না।

মামা বললেন, সারা দিন মোবাইল নিয়ে ঘুরে বলে রাগ করে তার বইখাতা বস্তায় ভরে রেখে দিল। তবুও সে ১ মাসে তার বইগুলো বস্তা থেকে বের করেনি।
ওই মামা গত কোরবানির ঈদের এক দিন আগে সৌদিতেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
যে ছেলের সুখের জন্য জীবনের শেষ দিনগুলো বিদেশে কাটিয়েছেন ওই সন্তান হয়তো এখন বুঝবে বাবা কী ছিল। সন্তানের এমন অধঃপতন মামা সহ্য করতে পারতেন না বলে শুধু কান্না করতেন।
সমাজে এমন উদাহরণ অনেক অনেক আছে।

তাই আসুন আমরা এখন থেকে সচেতন হই। নইলে আপনার আমার সন্তানের জন্য ও মামার মতো সারা জীবন কাঁদতে হবে।

আলোকিত জনপদ .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© 2022 - Alokitojanapad.com. প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক