
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ দুরাকুটি ঘোপাপাড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাতার প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ৬৫ বছর বয়সী এন্তাজুল হক মারা গেছেন। নিহত এন্তাজুল হক ওই গ্রামের আজগার আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে ইউনিয়নের পাগলাটারি গ্রামের আবু তাহেরের সঙ্গে এন্তাজুল হকের মেয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক বিবাদ চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তাহেরের স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
শুক্রবার দুপুরে স্ত্রীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আবু তাহের। এ সময় শ্বশুর এন্তাজুল হক বাধা দেন। ঘটনার সময় তাহের জোরপূর্বক গাড়ি চালানোর চেষ্টা করলে এন্তাজুল হক গাড়ির দরজা ধরে রাখেন। এতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায় এবং তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয়ে মারা যান।
স্থানীয়রা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জামাতাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “প্রাইভেটকারের ধাক্কায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, জামাতা আবু তাহের সম্প্রতি গাড়িটি কিনেছিলেন। ঘটনার পর নিহতের মরদেহ বাড়ির সামনে মসজিদে রাখা হয়েছে। পারিবারিক বিরোধের কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
মন্তব্য করুন