জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জোবায়েদ হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পৈতৃক বাড়ি কুমিল্লা হোমনা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে নিয়ে আসা হয়।

২০ অক্টোবর (সোমবার) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও নিহত জোবায়েদের সহপাঠীরা শেষবারের মত ক্যাম্পাস থেকে জোবায়েদের নিথর লাশটি দেখে শেষ বিদায় দেন। পরবর্তীতে বিকেলে জোবায়েদের লাশটি তার গ্রামের বাড়িতে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িটির সাইরেন থামতেই পুরো এলাকায় নেমে আসে নিস্তব্ধতা।

সাদা কাফনে মুড়ানো জোবায়েদ হোসেনর লাশটি দেখে মুহূর্তের মধ্যে কান্নায় ভেঙে পড়েন এলাকাবাসীসহ পরিবার ও স্বজনরা। জোবায়েদের মৃত্যুর ঘটনাটি কোন ভাবে মানতে পারছে না পরিবার ও স্বজনরা। জোবায়েদের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় হোমনা উপজেলাধীন কলাগাছিয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত জোবায়েদের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, হোমনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ ও জোবায়েদ হোসেনের পরিবারের তথ্যমতে, জুবায়েদ বংশাল থানাধীন মাহুতটুলিতে নুর বক্স লেনের একটি বাসায় এইচএসসি’র এক ছাত্রীকে পড়াতেন। প্রতিদিনের মতো হত্যাকান্ডের দিন ১৯ অক্টোবর (রোববার) সন্ধ্যায় সেখানে পড়াতে যান তিনি। পরে ছয় তলাবিশিষ্ট ওই ভবনের তৃতীয় তলার সিঁড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় জোবায়েদের নিথর দেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ভবনের সিঁড়ি থেকে জোবায়েদের মরদেহ উদ্ধার করে বংশাল থানা পুলিশ।

জোবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তিনি কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন।

 

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}