চান্দিনা উপজেলার বরকইট এলাকায় আম গাছ থেকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় শবদর আলী’র(৪৫) লাশ উদ্ধার করে চান্দিনা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় চান্দিনা থানায় প্রথমে অপমৃত্য মামলা হয়। এরপর শবদর আলী(৪৫) মৃত্যুর বিষয়টি হত্যা হিসেবে তদন্তে নামে চান্দিনা থানা পুলিশ। এক পর্যায়ে শুক্রবার ভোর রাতে (১১ জুলাই) চান্দিনা থানা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী শবদর আলী হত্যার সাথে জড়িত পাঁচ আসামীর মধ্যে প্রধান তিন আসামী বরকই গ্রামের মৃত.আহাম আলীর পুত্র ইউনূছ মিয়া(৫২), আবুল হাসেম((৪২) ও জসিম(২৮)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর আসামীদেরকে আদালতে নেওয়া হলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। এ হত্যাকান্ডের বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদুল ইসলাম মানবকন্ঠের প্রতিবেদককে জানান, গত ১৫ এপ্রিল(শনিবার) বরকইট গ্রামের মৃত.আব্দুল মজিদের পুত্র ব্যবসায়ী শবদর আলী(৪৫)কে হত্যা করে আম গাছের উপর ঝুলিয়ে রেখেছিল। চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। নিহত শবদর আলী(৪৫)কে হত্যা করা হয়েছে মর্মে ময়না তদন্ত রির্পোট পাওয়া মাত্রই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রধান ৫ আসামীর মধ্যে তিনজন আসামীকে আটক করতে সক্ষম হই।
ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী নিহত শবদর আলী(৪৫)এর স্ত্রী রিনা বেগম বাদী হয়ে চাদিনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং:০৯,তারিখ-১১/০৭/২৫ইং। নিহতের স্ত্রী রিনা বেগম সাংবাদিকদের জানান-আহাম আলীর চার সন্তান মিলে পরিকল্পিত ভাবে আমার স্বামী শবদর আলীকে শাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। গত ২ বছর পূর্বে নিহত শবদও আলী জমি চাষাবাদ বাবদ ৩লক্ষ টাকা ধার দিয়েছে আসামীদেরকে। আসামীরা আমমার স্বামীর টাকা ফেরত না দিয়ে সুকৌশলে হত্যা করে থাকে। আমি এই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। হত্যাকারীদের যেন ফাঁসি হয় তা বিজ্ঞ আদালতের কাছে কামনা করি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইমাম হোসেন জানান-হত্যাকারীরা শবদর আলীকে কৌশলে হত্যা করে তা অপমৃত্যু হিসেবে চালিয়ে দিতে চেয়েছিল, ময়না তদন্ত রির্পোট তিন মাস পর আসা মাত্রই শবদর আলীকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে প্রমানিত হয়।