আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩ নম্বর নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সরদার আকিবুল ইসলাম। জনসেবা, তরুণ সমাজের উন্নয়ন, কৃষকদের স্বাবলম্বী করা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনার ব্যস্ততা পেছনে ফেলে শহর থেকে গ্রামে ফিরে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সরদার আকিবুল ইসলাম। তাঁর লক্ষ্য, ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করা।
তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নিজড়াকে একটি উন্নত ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি।
স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে সরদার আকিবুল ইসলাম জানান, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের সেবা করতে চান তিনি। নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা কোনো নাগরিক যেন অযথা হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন।
বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি।
যুবসমাজের উন্নয়নও তাঁর পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তরুণদের মেধা, দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহযোগিতা করার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে চান তিনি।
এ ছাড়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন আকিবুল ইসলাম। সাধারণ মানুষ যাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সহজে পেতে পারেন এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণে ভোগান্তির শিকার না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
দেশ, মাটি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে সরদার আকিবুল ইসলাম মনে করেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারা এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করাই হবে তাঁর জীবনের বড় সার্থকতা।
তবে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁর সম্ভাবনা কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ভর করবে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা, বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা, সাংগঠনিক অবস্থান এবং ভোটারদের আস্থার ওপর। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কে নেতৃত্বের দায়িত্ব পাবেন, তা নির্ধারণ করবেন নিজড়া ইউনিয়নের ভোটাররা।