পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদরসহ ১১ উপজেলায় নতুন ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী দিনে তিনি সরাসরি কৃষকদের হাতে এই কার্ড বিতরণ করবেন। এটি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, উদ্বোধনী দিনে টাঙ্গাইল সদর ছাড়াও পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সাবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রথম পর্যায়ে মোট ২১,৫০০ কৃষককে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা প্রদান করবে। কার্ডটির মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক এবং পশুখাদ্যসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ ক্রয় করতে পারবে।
সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য পরিচিতি নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা এবং বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে। বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকের তথ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ সহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।