মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে – এমন আশঙ্কায় জামালপুরের মাদারগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকরা ভিড় করছেন। সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির গুঞ্জনে মোটরসাইকেল চালকসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা আগেভাগেই জ্বালানি সংগ্রহে ভিড় করছেন।

জানা গেছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবেই স্থানীয়ভাবে তেলের দাম বাড়তে পারে- এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মাদারগঞ্জ পৌর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স লাবনী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়৷

গতকাল পর্যন্ত উপজেলার দুটি ফিলিং স্টেশনেই স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি পাওয়া গেছে। তবে গত রাতে তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন শেষ হয়ে যাওয়ায় আজ লাবনী ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের চাপ বেড়ে যায়।

 

মাদারগঞ্জের মেসার্স লাবনী ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, সরকারিভাবে এখনো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো ঘোষণা আসেনি। “আমাদের কাছে যতটুকু মজুত আছে, তা আগের নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রি করা হচ্ছে। তবে গুজব ছড়িয়ে পড়া এবং অন্য একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় হঠাৎ গ্রাহকের চাপ বেড়েছে। গত দুই দিনে সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি জ্বালানি বিক্রি হয়েছে।”

তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক বলেন, “চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ডিপো থেকে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে না। এ কারণে আমাদের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় আপাতত জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রয়েছে।”

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী বলেন, “বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেউ যদি অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}