দেশের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘বেকার তৈরির কারখানা’ থেকে বের করে কর্মসংস্থানমুখী কাঠামোয় রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা হবে দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের প্রধান হাতিয়ার।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে শিক্ষা খাতে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও কাঙ্ক্ষিত গুণগত পরিবর্তন আসেনি। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রাথমিক স্তর থেকেই মানোন্নয়ন জরুরি। শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমন পর্যায়ে নিতে হবে, যাতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিজেদের সন্তানদের ভর্তি করাতে কেউ দ্বিধা না করেন।
একুশের চেতনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “একুশ মানে মাথা নত না করা, একুশ মানে মাতৃভাষার অধিকার।” বাংলা ভাষাকে সব স্তরে প্রতিষ্ঠিত করাই হবে একুশের প্রকৃত সার্থকতা।
দায়িত্ব পালনে অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অনুষ্ঠানে জানান, আগামী পাঁচ বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বিশ্বমানের কারিকুলাম প্রণয়ন ও শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তার মতে, একটি শক্তিশালী ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।