২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢাকার আশুলিয়ায় ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানায় লাশ পোড়ানোর মামলার রায়ে মাদারীপুরের রাজৈরের বাসীন্দা ও ওই থানার নিযুক্ত কনস্টেবল মুকল চোকদার(৩২) এর মৃত্যুদণ্ড রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। কনস্টেবল মুকুলের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাবুনাল এই রায়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করেছে মুকুলের পরিবার ও এলাকাবাসীরা। মুকুল রাজৈর পৌর এলাকার মৃত বাবুল চোকদারের ছেলে।

(৬ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার) বিকেলে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার শাফিয়া শরীফ বাজারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করেন এলাকাবাসীরা।
এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন ও মৃত্যুদণ্ড রায় পূর্ণ তদন্তের আহবান জানান।

https://youtu.be/rOXe9RXVh98

মানববন্ধনে মুকুলের মা পিনজিরা বেগম বলেন, আমার ছেলের মুক্তি চাই আমি, আমি এই ফাঁসি মানি না আমার ছেলের ক্যান ফাঁসি হবে? আমার স্বামী নাই ,ছেলেডা নইয়া আমি কস্ট কইরা পড়ালেহা করাইয়া চাকরি দিছি বাবা, আমি গরীব, আমার মত এতো গরীব নাই, আমি টাহা দেতে পারি নাই দেইক্কা আজকে আমার ছেলের এই অবস্থা,আর যারা টাহা দেতে পারছে, তাগো হয় জেল, ওসির হয় সাত বছর জেল, আর আমার ছেলে টাহা দেতে পারে নাই, তার দেয় ফাঁসি।

মুকুলের স্ত্রী সুমাইয়া বেগম বলেন, সে ওই সময় শুধু ওইখানে দারাইয়া ছিলো, তার এমন কোন ভিডিও ফুটেজে তাকে কোথাও দেখা য়ায়নি, তার সুষ্ঠু কোন তদন্ত হয়নাই, ওখানে যারা এসপি ডিসি বা উপরপোস্টে ছিলো তারা অনেক টাকা খাওয়াইছে, যারা খাওয়ানোর মাধ্যমে তারা এইভাবে চইলা যাইতে পারছে , তাদের কোন বিচার হয়নাই, আর আমার স্বামী একজন সাধারণ কনস্টেবল, তার নাই কিছু, সে একজন এতিম ছেলে, তার একটা ভাই নাই, তার কোন কিছুই নাই, সে এতিম তারা য়ে এইভাবে তারে শাস্তি দিলো, নিরিহ ভাবে তারে কেন এইভাবে, তারে ফাঁসির রায় দিলো, তার উপরে যারা ছিলো তাদের পাঁচ সাত বছরের জেল দিলো, আমি এই রায় মানি না, আমি চাই এইডার সুষ্ঠু বিচার হউক, সুষ্ঠুভাবে এইডার তদন্ত কইরা, সুষ্ঠু একটা রায় দেয় তারা।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}