বরেন্দ্রভূমি অধ্যুষিত শস্য ভান্ডার হিসাবে খ্যাত রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এ বছর গমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিস  সূত্রে জানা যায়,তানোর উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে চলতি রবি মৌসুমে গম চাষ করা হয়েছে ১ হাজার ১শ ৫ হেক্টর জমিতে।প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ১ হাজার কৃষকদের মাঝে গম বীজ-২০ কেজি ও ডি.এ.পি-১০কেজি,এম.ও.পি-১০ কেজি করে দেওয়া হয়েছে।সরেজমিনে মাঠে গিয়ে জানা যায়,উপজেলায় এবার বারি গম-৩২ ও ৩৩ চাষ করেছেন কৃষকরা।গম চাষে পানি কম লাগে এবং শ্রমিক খরচ কম এবং লাভ বেশি হয়। কৃষকরা আশা করছেন বাজারে গমের দাম ভাল থাকলে লাভবান হবেন। তানোর উপজেলার কামার গাঁ ইউনিয়নের বাতাস পুর গ্রামের গমচাষি শ্রী সুকুমার জানান,এ বছর ১ বিঘা  জমিতে গমের চাষ করেছেন। গম চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে। এছাড়াও গম চাষে বিশেষ কোন শ্রমিক খরচ নেই। বীজ বপন থেকে গম উঠানো পর্যন্ত ২ বার পানি সেচ দিলেই হয়। গম বিঘা প্রতি প্রায় ১০ থেকে ১২ মণের মতো হবে বলে আশা করছেন।অল্প কিছুদিনের মধ্যে গমে পাক ধরতে শুরু করবে। অথচ কালের বিবর্তনের দিন দিন বিলুপ্তির পথে যেতে বসেছিল গম চাষ। এক সময় তানোর উপজেলায় প্রায় প্রতিটি মাঠে ব্যাপক হারে গমের চাষ হতো। কিন্তু বর্তমানে কৃষক আলু চাষের দিকে বেশি ঝুকেছে। যার ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গমের চাষ। কিন্তু গত কয়েক বছরে চুয়াডাঙ্গাতে চাহিদার তুলনায় ভালোই গমের আবাদ হচ্ছে।কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন,দিন-দিন ভ‚গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। বরেন্দ্র অঞ্চল বিশেষ করে তানোর উপজেলায় পানির প্রচুর সমস্যা।তাই পানির সমস্যার কারণে কম পানি সেচের মাধ্যমে গম চাষাবাদের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এবার কুয়াশা ও ঠান্ডা বেশি থাকায় গমের ফলন ভাল হবে।আমরা চাষিদেরকে আরও বেশি বেশি গমের চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। আশা করছি,আগামী বছরে এ উপজেলায় প্রচুর গমের আবাদ হবে। এছাড়া গম চাষে কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, সার, সেচ ও উন্নতমানের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।এবং আমাদের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকের মাঝে সু পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}