আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহীর তানোরে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২৬ জানুয়ারি)সকাল সাড়ে দশটা থেকে পৃথক পৃথক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আকতার। নির্বাচনী প্রশিক্ষক ইনিস্টিউট আগারগাঁও ঢাকার আয়োজনে ও তানোর উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। উপজেলা পরিষদ হলরুমে  প্রিজাইডিং অফিসারদের ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের আব্দুল করিম সরকার সরকারী কলেজে এবং পোলিং অফিসারদের মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। সকাল সাড়ে দশটা থেকে পৃথক পৃথক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আকতার। বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার নাইমুল হাসান,সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান,সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট সেহরীন তাবাসসুম তিথী,তানোর উপজেলা নির্বাচন অফিসার সুস্মিতা রায়,সহকারী কমিশনার ভূমি শিব শংকর বসাক, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোতাওয়াক্কিল রহমান,তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহিনুজ্জামান প্রমুখ।জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনের দিন উৎসব মুখোর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। ভোট গ্রহণের জন্য নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। কেন্দ্রে ও বুথে যেন কোন ধরনের অনিয়ম না হয়। অনিয়ম বা কোন ধরনের পক্ষপাত মুলক আচরণ লক্ষ্য করা যায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ বিশৃঙ্খলা করতে এলে কোন ছাড় দেয়া যাবেনা। কারন বর্তমান সরকার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অতীতে কি হয়েছে আর কি হয়নি সেটা ভূলে যেতে হবে। কারন সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে ভোটের দিকে। জাতীয় নির্বাচনের দিন আরেকটি ভোট হবে। সেটি হল গণভোট। একসাথে দুই ভোট কিভাবে নিতে হবে তা ভোটারদের বোঝাতে হবে। দুই ভোট একসাথে হওয়ার জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেই ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। কেন্দ্রে অযথা ভীড় করানো যাবেনা। ভোট যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য প্রশিক্ষকরা আপনাদের প্রশিক্ষণ দিবেন। যে ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে সে ভাবে ভোট নিতে হবে। কোন ধরনের কালক্ষেপন সহ্য করা হবে না।তানোর উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৬১ টি,ভোট কক্ষের সংখ্যা ৩৪০ টি।প্রিজাইডিং অফিসার ৬৭ জন,সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ৩৫৩ জন সর্বমোট ৪২০ জন প্রশিক্ষণ শেষে ভোটগ্রহণের বিভিন্ন কারিগরি দিক ও ইভিএম/ব্যালট সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত প্রশিক্ষকগণ। প্রতি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন ও প্রতি বুথে একজন করে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং বুথ প্রতি ২ জন করে পোলিং অফিসার দায়িত্বে  থাকবেন।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}