চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় স্ত্রী নাজমা হোসেন টোকেন এর মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ -এ ওই দম্পতির ৪৬তম বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে তার স্বামী রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবু হুসাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফাইড পেইজে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। যা তার ফেসবুক বন্ধু ও ফলোয়ার্সদের হৃদয়ে আচর কেটেছে।

তার এই আবেগঘন পোস্টটি হুবহু নিচে দেওয়া হলো…

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
আজ আমাদের ৪৬তম বিবাহ বার্ষিকী। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আজ আমাদের সহধর্মিণী নাজমা হোসেন টোকেন আমাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে।আমি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমি দুঃখিত ও মর্মাহত। আমাদের জন্য আপনাদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

বারডেম এর ডাক্তার অধ্যাপক মওলাদাদ চৌধুরীর ভুল চিকিৎসার কারণে আমার সহধর্মিণীকে হারাতে হলো।কিন্তু আজ পর্যন্ত তার কোনো শাস্তি হলো না। দেশে যদি আইনের শাসন থাকতো তাহলে ওই ভুল চিকিৎসার জন্য মওলাদাদ চৌধুরীর শাস্তি হতো।

তার ওই পোস্টকে অনেকেই ভালো চোখেই দেখছেন! কেননা চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় তিনি অকালেই স্ত্রী হারা হয়েছেন। সন্তানেরা তার মায়ের আদর-স্নেহ-শাসন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, নাতি-নাতনীও তার দাদুর আদর সোহাগ ও ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এমনটি যদি না ঘটতো তাহলে হয়তো তাদের সংসারে বিষাদের পরিবর্তে আজ আনন্দ হাসি-খুশিতে ভরে থাকতো। যদি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী সেই চিকিৎসকের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হতো তাহলে হয়তো বা আর কোন চিকিৎসক ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় এ ধরনের ভুল চিকিৎসা করতেন না। অকালেও কোন স্ত্রী/ মা প্রাণ হারাতেন না। হতভাগা স্বামী আজও কোন সুবিচার পাননি। তাই তার এই আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে স্ত্রীর প্রতি অসীম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ও অন্যদিকে প্রতিবাদ জানানো। যা দেখে যেন সকলেই নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরে নিতে পারেন এমনটি প্রত্যাশা এফবি বন্ধু ও ফলোয়ার্সদের।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}