ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন কার্যত পরাজিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির শীর্ষ নেতারা। রাজধানী তেহরানে আয়োজিত এক জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ‘সতর্কবার্তা’ দিয়েছেন ইরানের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তারা।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জাতীয় পতাকা হাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ সমাবেশে অংশ নেন। একই সঙ্গে সরকার যাদের ‘দাঙ্গাকারী’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে, সেই নিহতদের স্মরণে প্রার্থনাও করতে দেখা যায় অংশগ্রহণকারীদের।
চারমুখী যুদ্ধে জড়িত ইরান: পার্লামেন্ট স্পিকার
তেহরানের বিপ্লব চত্বরে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বলেন, ইরান বর্তমানে চারমুখী যুদ্ধের মুখোমুখি। তার ভাষ্য অনুযায়ী—
অর্থনৈতিক যুদ্ধ
মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সংঘাত
এবং তথাকথিত ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’
এই শেষ যুদ্ধকে তিনি চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে তুলনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নতুন মাত্রায়
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিক্ষোভ দমনের সময় শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পর ইরান এখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সাইবার হামলা অথবা সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না— সে বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে বিক্ষোভ দমন এবং প্রকাশ্যে ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}