রংপুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কমিটিতে নাম প্রকাশের পর ওই শিক্ষক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত নন বলে দাবি করেছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে ৭০ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে তাকে সদস্যসচিব করা হয়। তিনি হলেন নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ভিআইপি শাহাদাৎ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরশাদ হোসেন। এনসিপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় নাগরিক কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

এনসিপি গঠনের পর থেকে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করে আসছেন। প্রধান শিক্ষক এরশাদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার বিষয়টি কালবেলার কাছে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত না, আমি হাইস্কুল শাখায় আছি। আমি আপনাদের সঙ্গে বসব, আপনাকে ডাকব। রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ভিআইপি শাহাদৎ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে এরশাদ হোসেন কর্মরত রয়েছেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত নন এরশাদ হোসেন নিজে এ দাবি করেছেন এমন তথ্য জানানো হলে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, আপনাকে কী এমন কথা বলেছে? যদি কেউ আইন লঙ্ঘন করে কোনো কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সাদিয়া ফারজানা দিনা বলেন, আমি জেলা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলাম না।

আপনি জেলার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আসাদুল্লাহ আল গালিব (যুগ্ম মুখ্য সংগঠক) এর সঙ্গে কথা বলেন। আমরা স্পেসিফিক কাজ করেছি। আমি আমার সাইড থেকে কাজ করেছি, উনি ওনার সাইডে কাজ করেছেন। তবে জেলা কমিটির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এনসিপির যুগ্ম-মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) আসাদুল্লাহ আল গালিবকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}