আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন -২১৬, গোপালগঞ্জ–২ (গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত) আসনে জাকের পার্টি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে গণমানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। তিনি গোপালগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট ও দোয়া চাইছেন। সদালাপী, ভদ্র ও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই তিনি ভোটারদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ডে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তিনি তৈরি করেছেন বলে সাধারণ ভোটারদের অভিমত। মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে তাদের সাথে কথা বলা এবং বাস্তবসম্মত প্রতিশ্রুতি দেওয়াকে তার প্রচারণার প্রধান শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জাকের পার্টির নির্বাচনী অঙ্গীকারসমূহ জাকের পার্টির ইশতেহারে জনগণের মৌলিক অধিকার, সুশাসন ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতিগুলো হলো—
সকল নাগরিকের জন্য আধুনিক, সমমানের ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ; স্বাস্থ্য বীমা ও হেলথ কার্ড প্রবর্তন। বিশ্ববিদ্যালয়কে বেকার তৈরির কেন্দ্র নয়, বরং কর্মসংস্থানমুখী বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা এবং বিশ্ব শ্রমবাজারে তরুণদের মেধা ও কর্মশক্তির ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি। আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) থেকে শুরু করে DNA সিকোয়েন্সিংসহ সব ক্ষেত্রে তরুণদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিশ্চিত করা। নারীর ন্যায্য অধিকার ও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা এবং ভূমিহীন ও ছিন্নমূল মানুষের সম্মানজনক পুনর্বাসন। সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলদারিত্ব ও ব্যাংক লোপাটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি। প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান। মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা সংস্কৃতির অবসান। ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও নিরপেক্ষ বিচারিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা। বেকারত্ব দূরীকরণে ইউনিয়ন পর্যায়ে সুদমুক্ত বিনিয়োগ এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৫ বছরের কর মওকুফ। নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ফসল ক্রয়—কৃষক ও কৃষি রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা। সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সম্মানজনক বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি। আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও জনজীবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি ও ড্রোন নজরদারি। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা সুসংহতকরণ। নির্বাচনে পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাব দূর করতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ও ই-ভোটিং ব্যবস্থা প্রবর্তন। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন। সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালনের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করা।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসানের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ও জাকের পার্টির ঘোষিত কর্মসূচি গোপালগঞ্জ–২ আসনে ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সারা ফেলেছে।
মন্তব্য করুন