গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে বৃদ্ধ মা গান্ধারী মন্ডল (৭০) মৃত দেখিয়ে ওয়ারিশন সনদ তৈরি করে জমি বিক্রি করে দিলো কুলাঙ্গার সন্তান নির্মল মন্ডল৷ এ জাল জালিয়াতির মুল হোতা তার সহযোগি ১৩৩ নং দীঘারকুল দক্ষিণ ঘোষগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অমিত বিশ্বাস।
এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে নিজের সন্তান নির্মল মন্ডল ও তার সহযোগী অমিত বিশ্বাসকে আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী মা গান্ধারী মন্ডল। নিজেকে জীবিত দেখাতে অসহায়ের মত আদালত পাড়ায় ঘুরছে ওই বৃদ্ধ মা।
রঘুনাথপুর এলাকার একাধিক ব্যাক্তি নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, শিক্ষক অমিত বিশ্বাস একজন ধুরন্ধর ব্যক্তি। সে জমিজমার কাগজপত্র জাল জালিয়াতির মাস্টার। ওই মাস্টারই নির্মলের মা’কে মৃত দেখিয়ে ওয়ারিশন সনদ তৈরি করে জমিজমা লিখে নিয়েছে।
অসহায় বৃদ্ধ মা গান্ধারী মন্ডল বলেন, আমার স্বামী নিমাই মন্ডল মারা যাওয়ার পর থেকে ওই শিক্ষক অমিত বিশ্বাসের নজর পরে আমার স্বামীর রেখে যাওয়ার ভিটা ও জায়গা জমির উপর। তারপর থেকেই আমার কুলাঙ্গার ছেলে নির্মল মন্ডলকে নানা কুপরামর্শ দিতে থাকে ওয়ারিশন সনদ তৈরি করে আমার ছেলের নামে জমি নামজারি করে সকল জমি বাড়ি র বসতভিটা দলিল করে নেয় ওই শিক্ষক অমিত বিশ্বাস। এবং আমার স্বামীর বসত ভিটা থেকে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তারপর থেকে আমার উপর নানা নির্যাতন করছে আমার ছেলে নির্মল মন্ডল ও ওই শিক্ষক অমিত বিশ্বাস। তাই এখন আমি ঠেলা গুতা খেয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটাচ্ছিন।এ ঘটনার পর নিজেকে জীবিত প্রমান করতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেছি।
মায়ের মামলার পর অভিযুক্ত সন্তান নির্মল মন্ডল পালিয়ে থাকার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার সহযোগী ঘটনার মুলহোতা শিক্ষক অমিত বিশ্বাস বলেন, এই জমি বিক্রির টাকা মা ছেলের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে। তার জন্যই নির্মলের মা এই মামলা করছে।কালই নির্মল তার মা’কে টাকা দিলে সব ঝামেলা মিমাংসা হয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন