অনলাইন ডেস্ক
২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ২৩ জন

এনইআইআর চালুর পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানালেন উদ্বেগজনক তথ্য

ছবি : সংগৃহীত
৫৭

চলতি বছরের পহেলা তারিখ থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর পর ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ। বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া আইএমইআইয়ের মোবাইল ফোন চলমান রয়েছে। লাখ লাখ নাগরিক এসব নিম্নমানের নকল মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এসব মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন টেস্ট, অ্যাবসোর্পশন টেস্টসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা টেস্ট হয়নি কখনও।
তিনি লেখেন, ৪টি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে ব্যাপকভাবে সচল এসব মোবাইল ফোন ছড়িয়ে রয়েছে। তবে জনজীবনে অসুবিধা তৈরি হয় এমন কোনো পদক্ষেপে সরকার যাবে না বলেও জানান তিনি। বলেন, এসব ফোন বন্ধ করা হবে না, গ্রে হিসেবে ট্যাগ করা হবে।
এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘বিগত ১০ বছরের সর্বমোট সংখ্যা হিসাবে, শুধুমাত্র একটি আইএমইআই নাম্বার 99999999999999 এ পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি। বিভিন্ন কম্বিনেশন (Document ID+MSISDN+IMEI)। স্মার্টফোনের পাশাপাশি এ ধরনের IMEI বিভিন্ন IOT ডিভাইসেরও হতে পারে। যদিও অপারেটর মোবাইল ডিভাইস, সিম সংযুক্ত ডিভাইস এবং IOT ডিভাইসের IMEI আলাদা করতে পারে না। যেমন হতে পারে, CCTV বা এ ধরনের ডিভাইস হয়ত একই IMEI নম্বরে আনা হয়েছে। আমরা বৈধভাবে আমদানি করা IOT আমরা আলাদাভাবে ট্যাগের কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শীর্ষ কিছু আইএমইআই নম্বরের একটা তালিকা তৈরি করে দেখা গেছে, সাড়ে ১৯ লাখ ডিভাইসের আইএমইআই নাম্বার হচ্ছে 440015202000; যেগুলো ডুপ্লিকেট হিসাবে আনা হয়েছে। এভাবে- 35227301738634 নাম্বারে সাড়ে সতেরো লাখ 35275101952326 নাম্বারে। সোয়া পনেরো লাখ শুধুমাত্র ১ ডিজিটের শূন্য IMEI নাম্বারে আছে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩১টি।’
তিনি আরও লেখেন, আমরা অনুমান করেছি যে ক্লোন ও নকল ফোনের ছড়াছড়ি আছে, তবে বুঝতে পারিনি ভয়াবহতা এতটা গভীর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন মতে, ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি ঘটে অনিবন্ধিত ডিভাইসে। বিটিআরসি ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে e-KYC জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অবৈধ ফোন, কিংবা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। ২০২৩ সালে ১,৮ লাখ ফোন চুরির রিপোর্ট হয় (রিপোর্ট হয়নি এমন সংখ্যা আছে আরও কয়েক লাখ), এসব ফোনের অধিকাংশই উদ্ধার করা যায়নি।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শৈত্যপ্রবাহ ৪৪ জেলায় প্রবাহিত হচ্ছে, চলতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে

অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক: এনবিআর চেয়ারম্যান

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন: অধিদপ্তরের অবস্থান

ইইউ প্রতিনিধি দলের সাথে তারেক রাহমানের বৈঠক, নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা

আইসিসি বসছে বিসিবির সঙ্গে বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা করতে

আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে বুধবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠান

তারেক রহমানের নিরাপত্তা দলে যুক্ত হলেন আরও তিন সদস্য

স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে

গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে “ভোটের গাড়ি”

গোপালগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

১০

রংপুরে দুধ দিয়ে গোসল ছাড়লেন দল

১১

নরসিংদীর শিবপুরে এলপিজি গ্যাস সমন্বয়কৃত মূল্যে বিক্রির না করায় ৭ হাজার টাকা জরিমানা

১২

হাওরে বাঁধকাজে ধীরগতি, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন

১৩

পীরগঞ্জে শীতার্তদের পাশে ইউএনও তাছবীর হোসেন

১৪

বন্ধক রাখা মোবাইল ছাড়ানো নিয়ে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে ইজিবাইক চালকের মৃত্যু

১৫

নরসিংদীর মাধবদীতে ছোট ২ ভাই এর আঘাতে মাদকাসক্ত রমজান আলী নিহত

১৬

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য কে, এম সাইফুর রহমানকে সম্মাননা

১৭

আমি এই মাটির সন্তান, আমি এ জনপদের সকল মানুষের -এস এম জিলানী

১৮

সুনামগঞ্জের এম্বোশিয়া হোটেলে ভোটারদের সাথে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের মত-বিনিময়

১৯

সফেন-বাংলাদেশ সমাচার গুণীজন সম্মাননা ২০২৫ পেলেন গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল হক

২০