আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে সুলতানশাহী কেকানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত উক্ত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (টেলিফোন প্রতীক) বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক কামরুজ্জামান ভূইয়া (লুটুল)।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে সহ গোপালগঞ্জের হাজার-হাজার নিরীহ মানুষকে জেল-জুলুম ও হয়রানি করা হচ্ছে। আমি উপস্থিত আপনাদের সকলের সামনে বলতে চাই আপনারা যদি ভালোবেসে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন এবং জাতীয় সংসদে যাওয়ার পথ সুগম করে দেন তাহলে আগামী প্রজন্ম কখনোই বলতে পারবে না যে, লুটুল ভূইয়া একজন অসৎ ও স্বার্থপর এমপি ছিলেন। আমার কোম্পানিতে যারা চাকুরি করেন তারা সকলেই গোপালগঞ্জের। আমি নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জের কেউই বেকার থাকবে না। প্রত্যেকেই প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হবে। সকলেই স্বাবলম্বী হবেন। আমি অতীতেও আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো। আমার জন্য দোয়া করবেন আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন যেন সারা জীবন আপনাদের সেবা করে যেতে পারি।
নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন পাইককান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য আঃ খালেক সরদার।
মোঃ হেলাল মুন্সির সঞ্চালনায় উক্ত নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ মামুন চৌধুরী, মোঃ মাসুম মোল্যা, মোঃ ঠান্ডু শেখ, মোঃ অলিয়ার রহমান, কিনু মল্লিক, মোঃ ফরহাদ সিকদার, মোঃ রইছ মোল্যা, মিল্টন মিয়া, নয়ন মিয়া,
মোঃ আবু শেখ, শের আলী ফকির, পিন্টু মিয়া, মোঃ বুরুজ মিয়া, খালিদুজ্জামান, মোঃ ইছরুল মোল্যা, মিছরুল মুন্সি, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আনিস সরদার সহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, কামরুজ্জামান ভূইয়া (লুটুল) একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান, তিনি সৎ, ন্যায়পরায়ণ, আদর্শবান ও পরোপকারী একজন মানবিক মানুষ। তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে জাতীয় সংসদে পাঠালে সে গোপালগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবে, জেলার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি সকল শ্রেণি- পেশার মানুষের কথা ভাববেন, আমাদের কথা ভাববেন। মিথ্যা মামলা ও হয়রানির হাত থেকে সাধারণ মানুষগুলোকে মুক্ত করতে পারবেন। গোপালগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবেন। তাই ভোটের দিন আমরা সকলেই টেলিফোন প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করবো। শুধু তাই নয় ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং রেজাল্ট সিটে প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত আমরা প্রত্যেকে কেন্দ্রেই অবস্থান করবো। নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবো। আমরা এমন কিছু করবো না যা আমাদের প্রার্থীর জন্য ক্ষতি হয়। নির্বাচনের দিন সকলে মিলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে টেলিফোন প্রতীকে ভোট দিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন